মোঃ কামরুল হাসান, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
মিরসরাই উপজেলা হিংগুলী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গনকচরা গ্রামের ডাঃ রুহুল আমিন সড়কের বেহাল দশা,বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় রাস্তার পুরো অংশ
দৈনিক আড়াই থেকে তিন হাজার লোকের যাতায়াত এই রাস্তায় ,ধুমঘাট হাই স্কুল এবং শান্তির হাট বাজারে যাওয়ার একমাত্র চলাচলের রাস্তা হওয়ার কারণে প্রতিদিনইঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় এলাকার স্থানীয় লোকজন এবং স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের,
মিরসরাই উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত বারইয়ারহাট বাজারের দের কিলোমিটার উত্তরেগনকচরা গ্রামের প্রতিটি মানুষ,অসুস্থ রুগি নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
কাঁচা এবংইটের রাস্তা হওয়ার কারণে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়াই প্রতিদিনই ঝুঁকি বাড়তেছে এলাকার প্রতিটি মানুষের ,৬০বছরের একজন মুরুব্বি দৈনিক বাংলাদেশ ৭১সংবাদ কে বলেন প্রায় বিশ বছর আগে এই রাস্তার কাজ হয়েছে । আমাদের এই সড়কটি ১৫ ফুট চওড়া ছিল বর্তমানে রাস্তার দুপাশে দখলদারদের দখলে চলে গেছে এখন মাত্র ছয় থেকে সাত ফুট রাস্তা রয়েছে তাই আমার এবং এলাকাবাসীর একটাই দাবি দখলদারদের কবল থেকে রাস্তার দুই পাশ উদ্ধার করে দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তার উন্নয়ন ও সংস্কার করা হয় এই ব্যাপারে ইউপি সদস্য জনাব আলতাফ হোসেন এর কাজ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন দীর্ঘ দিন এই রাস্তার কোন কাজ হয়নি আমারা যে টাকা বাজেট পাই সেইটা সামান্য দীর্ঘ রাস্তা হওয়ার কারণে রাস্তার উন্নয়ন ও সংস্কার করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব সোনামিয়া কে এই ব্যাপারে জানানো হয়েছে এবং উনি আমাদেরকে অনেক বার আশ্বস্ত করেছেন দুই একবার রাস্তার মাপ নিয়ে গেলেও তা আর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় নি এবং স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা যেন নির্ভয়ে রাস্তায় চলাচল করতে পারে সেই দাবি আমাদের সকলের ।সরকার যেখানে স্মাট বাংলাদেশের লক্ষ্যে কাজ করছেন আমরা সেখানে কেন পিছিয়ে থাকবো