Saturday, 28 February 2026

দুর্গা এন্টারপ্রাইজের শ্যামল চন্দ্র সাহার হামলার শিকার দুই সাংবাদিক

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COMদুর্গা এন্টারপ্রাইজের শ্যামল চন্দ্র সাহার হামলার শিকার দুই সাংবাদিক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পাইলিংয়ের বোল্ডার তৈরি সংক্রান্ত অনিয়মের চিত্র ধারণকে কেন্দ্র করে ২ সাংবাদিকের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অনিয়মের চিত্র ধারণ করায় দূর্গা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শ্যামল চন্দ্র সাহার নেতৃত্বে ৫ সাংবাদিককে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে মুভি বাংলা টেলিভিশন–এর জামালপুর প্রতিনিধি ও তার ক্যামেরা পারসনের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় তাদের মারধর, হত্যার চেষ্টা, ক্যামেরা ভাঙচুর এবং মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নেই শ্যামল চন্দ্র সাহার পালিত ক্যাডার বাহিনী দিয়ে।

ঘটনার পর সন্ধ্যায় জামালপুর জেলা সাংবাদিকরা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী এবং গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা।

সাংবাদিক মহল এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে শ্যামল চন্দ্র সাহাকে গ্রেফতারসহ জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। 

Wednesday, 25 February 2026

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মের্সাস রাসেল বিল্ডার্স ইউরিয়া ও বি এডিসি সার বেশিদামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী কৃষকরা।

তার দোকানে গিয়ে দেখা যায় বিসিআইসি ডিলার মোঃ মামুনুর রশিদ ফকিরের প্রতিনিধি মৃত, নজরুল ইসলামের ছেলে নিজের ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করছে সার। ইসলামপুর উপজেলার মহলগিরী একতা বাজারে ইউরিয়া (গুড়াশাল ও যমুনা) সারের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়।  বিএডিসি (ডিএপি) সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করার কথা থাকলেও বেশিরভাগ মেসার্স রাসেল বিল্ডার্সে ১৪'শ ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে সাধারণ কৃষকরা বেশিদামে সার ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জানাযায়, ডিলারের কাছ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা এসব ইউরিয়া সার নিয়ে বিক্রি করছে ৩০ টাকা কেজি দরে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা কৃষকের ওপর এভাবে চেপে বসেছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। কেনার সময় কৃষকরা রশিদ চাইলে তাদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে না বলে জানান সাধারণ ভুক্তভোগী কৃষক। 

খোঁজ নিয়ে জানা যাই, সারের কোনো সংকট নেই। তারপরেও এভাবে বাড়তি দামে সার বিক্রি করে যাচ্ছে এক মেসার্স রাসেল বিল্ডার্সের প্রতিনিধির ছেলে মাহামুদুল হাসান পারভেজ নিজেয়। 

কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যানুসারে, ইসলামপুর উপজেলায় বিসিআইসির ২১ টি ডিলার রয়েছে ও বিএডিসি ৬ টি ডিলার রয়েছে। এ ছাড়া খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছে অনেক জন। সরকারি নির্দেশনা রয়েছে, কৃষকের কাছে ২৭ টাকা কেজি  দরে ১৩৫০ টাকায় ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া ও বিএডিসি ২১ টাকা কেজি ১০৫০ টাকায় এক বস্তা সার বিক্রি করতে হবে। খুচরা বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে ১৩৩০ টাকা বস্তা দরে ইউরিয়া সার কিনতে পারবেন। কিন্তু সরকারি এসব নিয়মের ধার ধারছেন না. মেসার্স রাসেল বিল্ডার্সের প্রতিনিধির ছেলে মাহামুদুল হাসান পারভেজ।

ইসলামপুর ৯নং গোয়ালেরচর ইউনিয়নের ফারাজিপাড়ার কৃষক বারেক মিয়া এবং করিম মিয়া ও একাধিক কৃষক জানান, তাদেরকে খুচরা ২৯-৩০ টাকা কেজি দরে সার কিনতে হচ্ছে। আর বস্তায় দিতে মুহচ্ছে কমপক্ষে ১৪০০ টাকা। এ ছাড়া দোকান থেকে কোনো ক্যাশ মেমো দেওয়া হয় না।

ইসলামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রউফ বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tuesday, 17 February 2026

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার,ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারন কৃষক!

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার,ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারন কৃষক!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর সদর উপজেলার শরীফপুর বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রি করছেন মেসার্স আঃ সালাম এন্টারপ্রাইজের মালিক নিজেই, এমন একটি অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বাজারে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও নির্ধারিত দামে এ সব সার পাওয়া যাচ্ছে না বিসিআইসি ও বিএডিসি সারের মেসার্স আঃ সালাম এন্টারপ্রাইজের ডিলারের মালিক মোশারফ হোহেন মুসার কাছে। অনেক বিক্রেতাকে রশিদ না দিয়েই বস্তাপ্রতি ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন সারের দাম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলার মেসার্স আঃ সালাম এন্টারপ্রাইজের মালিক ‘সীমিত মজুদের’ কথা বলে অনাগ্রহ নিয়ে সার দিচ্ছেন। তবে বেশি দামে কিনলে সার মিলছে মেসার্স আঃ সালাম  এন্টারপ্রাইজের কাছে ঐসহজেই। জামালপুর সদর উপজেলার শরীফপুর বাজারের পাশের গ্রামের কৃষক সজিব মিয়া বলেন, টিএসপি কিনেছেন ১ হাজার ৭০০ টাকায়, অথচ সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং একই গ্রামের কৃষক মালেক মিয়া জানান, ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে সার আসার পরপরই কিছু খুচরা ব্যবসায়ীরা তা কিনে নিয়ে যায়। পরে সেই সারই বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে খুচরা ব্যবসায়ীরা এমন কিছু অসাধু সার ডিলার থাকার কারণে বাড়তি দামে সার কিনতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকের।

জামালপুর সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Saturday, 14 February 2026

বকশিগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে পিয়নের অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি: শত শত কোটি টাকার মালিক কামরুল ইসলাম

শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

বকশিগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে পিয়নের অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি: শত শত কোটি টাকার মালিক কামরুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন কামরুল ইসলাম গত ৭-৮ বছরে অস্বাভাবিকভাবে শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একজন সাধারণ কর্মচারীর এমন বিপুল সম্পদের বৃদ্ধি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুল ইসলাম মালিকানায় বর্তমানে বকশিগঞ্জ উপজেলায় ৩ তলা ফাউন্ডেশনের বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। কামরুল ইসলামের গ্রামের বাড়ীতে তার পিতা টিনের দোচলা ঘর ছাড়া কিছু নেই তিনি নিজে একটি অত্যন্ত আধুনিক সুবিধাযুক্ত বাড়িতে বসবাস করছেন, যা একজন পিয়নের নিয়মিত আয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধুমাত্র একজন পিয়নের দখলে এমন সম্পদ থাকা একদিকে যেমন ব্যক্তিগত দুর্নীতির পরিচয় দেয়, অন্যদিকে এটি সরকারি দপ্তরের শৃঙ্খলা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের চরম উদাহরণ।

একজন পিয়ন মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন—এখন প্রশ্ন উঠছে, বড় কর্মকর্তাদের দুর্নীতির মাত্রা কতটুকু হতে পারে? এই ঘটনাটি শুধু একটি ব্যক্তির দুর্নীতিরই চিত্র নয়, বরং পুরো ব্যবস্থার ভেতরের ত্রুটি এবং নিয়ন্ত্রণহীনতা প্রকাশ করছে।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এই সম্পদের উৎস কোথা থেকে? কে বা কারা এই পিয়নের পেছনে রয়েছেন? এগুলো নিয়মিত এবং স্বচ্ছ তদন্তের দাবি তোলে।

সংবাদ অনুসারে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত অবিলম্বে তদন্ত শুরু করা, দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং সরকারি দপ্তরের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পদের হিসাব নিয়মিত যাচাই করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, এমন ঘটনা শুধুমাত্র শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে মিটবে না, বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক সংস্কার আনা অত্যন্ত জরুরি।

প্রশাসন, দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজ ও মিডিয়ার সহযোগিতায় দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উন্মোচন এবং সরকারি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া প্রত্যেকের প্রত্যাশা।

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার,ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারন কৃষক!

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার,ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারন কৃষক!

জামালপুর প্রতিনিধিঃ

জামালপুর সদর উপজেলার লাহাড়ী কান্দা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রি করছেন মেসার্স হেমেন্দ্র চন্দ্র হিংহ এন্টারপ্রাইজের মালিক নিজেই, এমন একটি অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বাজারে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও নির্ধারিত দামে এ সব সার পাওয়া যাচ্ছে না বিসিআইসি ও বিএডিসি সারের মেসার্স হেমেন্দ্র চন্দ্র সিংহ এন্টারপ্রাইজের ডিলারের মালিক চপল চন্দ্র সিংহের কাছে। অনেক বিক্রেতাকে রশিদ না দিয়েই বস্তাপ্রতি ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন সারের দাম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলার মেসার্স হেমেন্দ্র  চন্দ্র সিংহ এন্টারপ্রাইজের মালিক ‘সীমিত মজুদের’ কথা বলে অনাগ্রহ নিয়ে সার দিচ্ছেন। তবে বেশি দামে কিনলে সার মিলছে মেসার্স হেমেন্দ্র চন্দ্র সিংহ  এন্টারপ্রাইজের কাছে ঐসহজেই। জামালপুর সদর উপজেলার  লাহাড়ী কান্দা বাজারের পাশের গ্রামের কৃষক সজিব মিয়া বলেন, টিএসপি কিনেছেন ১ হাজার ৭০০ টাকায়, অথচ সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং একই গ্রামের কৃষক মালেক মিয়া জানান, ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে সার আসার পরপরই কিছু খুচরা ব্যবসায়ীরা তা কিনে নিয়ে যায়। পরে সেই সারই বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে খুচরা ব্যবসায়ীরা এমন কিছু অসাধু সার ডিলার থাকার কারণে বাড়তি দামে সার কিনতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকের।

জামালপুর সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tuesday, 10 February 2026

অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ, ডিলারদের ফাঁদে সাধারণ কৃষক

শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ, ডিলারদের ফাঁদে সাধারণ কৃষক

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার মের্সাস সরকার ট্রেডার্সে ইউরিয়া ও বি এডিসি সার বেশিদামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী কৃষকরা।

তার দোকানে গিয়ে দেখা যায় বিসিআইসি ডিলার নিমাই সরকার নিজের ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করছে সার। মাদারগঞ্জ উপজেলায় ইউরিয়া (গুড়াশাল) সারের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়।  বিএডিসি (ডিএপি) সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করার কথা থাকলেও বেশিরভাগ মেসার্স সরকার ট্রেডার্সে ১৪'শ ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে সাধারণ কৃষকরা বেশিদামে সার ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জানাযায়, ডিলারের কাছ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা এসব ইউরিয়া সার নিয়ে বিক্রি করছে ৩০ টাকা কেজি দরে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা কৃষকের ওপর এভাবে চেপে বসেছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। কেনার সময় কৃষকরা রশিদ চাইলে তাদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে না বলে জানান সাধারণ ভুক্তভোগী কৃষক। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারের কোনো সংকট নেই। তারপরেও এভাবে বাড়তি দামে সার বিক্রি করে যাচ্ছে নিমাই সরকারের লাইসেন্স মের্সাস সরকার ট্রেডার্সে। 

কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যানুসারে,মাদারগঞ্জ  উপজেলায় বিসিআইসির অনেটি ডিলার রয়েছে ও বিএডিসি ও অনেক টি ডিলার রয়েছে। এ ছাড়া খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছে অনেক জন। সরকারি নির্দেশনা রয়েছে, কৃষকের কাছে ২৭ টাকা কেজি  দরে ১৩৫০ টাকায় ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া ও বিএডিসি ২১ টাকা কেজি ১০৫০ টাকায় এক বস্তা সার বিক্রি করতে হবে। খুচরা বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে ১৩৩০ টাকা বস্তা দরে ইউরিয়া সার কিনতে পারবেন। কিন্তু সরকারি এসব নিয়মের ধার ধারছেন না. মেসার্স সরকার ট্রেডার্সের মালিক নিমাই সরকার।

চরপাকেহদ গ্রামের কৃষক রাজু মিয়া এবং সজিব মিয়া ও একাধিক কৃষক জানান, তাদেরকে খুচরা ২৯-৩০ টাকা কেজি দরে সার কিনতে হচ্ছে। আর বস্তায় দিতে মুহচ্ছে কমপক্ষে ১৪০০ টাকা। এ ছাড়া দোকান থেকে কোনো ক্যাশমেমো দেওয়া হয় না।

মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।