Friday, 26 December 2025

ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM 

ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রি করছেন মেসার্স মহর আলী, মহর এন্টারপ্রাইজের মালিক নিজেই, এমন একটি অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বাজারে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও নির্ধারিত দামে এ সব সার পাওয়া যাচ্ছে না বি.সি.আই.সি সার ডিলারের মালিক মোঃ মহর আলী,মহর এর কাছে। অনেক বিক্রেতাকে রশিদ না দিয়েই বস্তাপ্রতি ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন সারের দাম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বি.সি.আই.সি সার ডিলার মেসার্স মহর আলী, মহর এন্টারপ্রাইজের মালিক ‘সীমিত মজুদের’ কথা বলে অনাগ্রহ নিয়ে সার দিচ্ছেন। তবে বেশি দামে কিনলে সার মিলছে মেসার্স মহর আলী, মহর এন্টারপ্রাইজের কাছে ঐসহজেই। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চরআমখাওয়া ইউনিয়নে কৃষক সজিব মিয়া বলেন, টিএসপি কিনেছেন ১ হাজার ৭০০ টাকায়, অথচ সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা পাশের গ্রামের কৃষক মালেক মিয়া জানান, ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে সার আসার পরপরই কিছু খুচরা ব্যবসায়ীরা তা কিনে নিয়ে যায়। পরে সেই সারই বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে খুচরা ব্যবসায়ীরা এমন কিছু অসাধু সার ডিলার থাকার কারণে বাড়তি দামে সার কিনতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকের।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রতন মিয়া বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Sunday, 21 December 2025

ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM 

ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রি করছেন মেসার্স নজরুল ট্রেডার্স এর মালিক নিজেই, এমন একটি অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বাজারে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও নির্ধারিত দামে এ সব সার পাওয়া যাচ্ছে না বিএডিসি সারের মেসার্স নজরুল ট্রেডার্স এর ডিলারের মালিক নজরুল  ইসলামের এর কাছে। অনেক বিক্রেতাকে রশিদ না দিয়েই বস্তাপ্রতি ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন সারের দাম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিএডিসি সার ডিলার মেসার্স নজরুল ট্রেডার্স মালিক ‘সীমিত মজুদের’ কথা বলে অনাগ্রহ নিয়ে সার দিচ্ছেন। তবে বেশি দামে কিনলে সার মিলছে মেসার্স নজরুল ট্রেডার্স এর কাছে ঐসহজেই। মাদারগঞ্জ  উপজেলার জোরখালী ইউনিয়নে গোলাবাড়ি গ্রামের কৃষক সজিব মিয়া বলেন, টিএসপি কিনেছেন ১ হাজার ৭০০ টাকায়, অথচ সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং একই গ্রামের কৃষক মালেক মিয়া জানান, ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে সার আসার পরপরই কিছু খুচরা ব্যবসায়ীরা তা কিনে নিয়ে যায়। পরে সেই সারই বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে খুচরা ব্যবসায়ীরা এমন কিছু অসাধু সার ডিলার থাকার কারণে বাড়তি দামে সার কিনতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকের।

মাদারগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Saturday, 20 December 2025

ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM 

ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রি করছেন মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের মালিক নিজেই, এমন একটি অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বাজারে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও নির্ধারিত দামে এ সব সার পাওয়া যাচ্ছে না বি.সি.আই.সি সার ডিলারের মালিক আঃ হাই এর কাছে। অনেক বিক্রেতাকে রশিদ না দিয়েই বস্তাপ্রতি ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন সারের দাম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বি.সি.আই.সি সার ডিলার মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজদের মালিক ‘সীমিত মজুদের’ কথা বলে অনাগ্রহ নিয়ে সার দিচ্ছেন। তবে বেশি দামে কিনলে সার মিলছে মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের কাছে ঐসহজেই। বকশিগঞ্জ উপজেলার বগাচর ইউনিয়নে সারমারা ঝালচর গ্রামের কৃষক সজিব মিয়া বলেন, টিএসপি কিনেছেন ১ হাজার ৭০০ টাকায়, অথচ সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং মালিচর গ্রামের কৃষক মালেক মিয়া জানান, ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে সার আসার পরপরই কিছু খুচরা ব্যবসায়ীরা তা কিনে নিয়ে যায়। পরে সেই সারই বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে খুচরা ব্যবসায়ীরা এমন কিছু অসাধু সার ডিলার থাকার কারণে বাড়তি দামে সার কিনতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকের।

বকশীগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Wednesday, 17 December 2025

ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রি করছেন মেসার্স মারুফ এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স হার এন্টারপ্রাইজের মালিক নিজেই, এমন একটি অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বাজারে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও নির্ধারিত দামে এ সব সার পাওয়া যাচ্ছে না বিসিআইসি ডিলার ও বিএডিসি সার ডিলারের মালিক মোঃ হাবিবুর রহমানের কাছে। অনেক বিক্রেতাকে রশিদ না দিয়েই বস্তাপ্রতি ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন সারের দাম।

সরেজমিনে বিভিন্ন গিয়ে দেখা যায়, বিসিআইসি ও বিএডিসি ডিলার মেসার্স মারুফ এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স হার এন্টারপ্রাইজদের মালিক ‘সীমিত মজুদের’ কথা বলে অনাগ্রহ নিয়ে সার দিচ্ছেন। তবে বেশি দামে কিনলে সার মিলছে মেসার্স আর এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মারুফ এন্টারপ্রাইজের কাছে ঐসহজেই। বকশিগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া গ্রামের কৃষক মনসুর আলী বলেন, টিএসপি কিনেছেন ১ হাজার ৭০০ টাকায়, অথচ সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং কি একই গ্রামের কৃষক আবদুর রহমান জানান, ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে সার আসার পরপরই কিছু খুচরা ব্যবসায়ীরা তা কিনে নিয়ে যায়। পরে সেই সারই বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে খুচরা ব্যবসায়ীরা এমন কিছু অসাধু সার ডিলার থাকার কারণে বাড়তি দামে সার কিনতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকের।

বকশীগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Saturday, 13 December 2025

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার মের্সাস  মুজাহিদ ট্রেডার্স ও নাজ ট্রেডার্সে ইউরিয়া ও বি এডিসি সার বেশিদামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী কৃষকরা।

তার দোকানে গিয়ে দেখা যায় বিসিআইসি ডিলার রোমান মিয়া নিজের ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করছে সার। বকশিগঞ্জ উপজেলায় ইউরিয়া (গুড়াশাল) সারের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়।  বিএডিসি (ডিএপি) সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করার কথা থাকলেও বেশিরভাগ মুজাহিদ ট্রেডার্সে ও নাজ ট্রেডার্সে ১৪'শ ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে সাধারণ কৃষকরা বেশিদামে সার ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জানাযায়, ডিলারের কাছ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা এসব ইউরিয়া সার নিয়ে বিক্রি করছে ৩০ টাকা কেজি দরে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা কৃষকের ওপর এভাবে চেপে বসেছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। কেনার সময় কৃষকরা রশিদ চাইলে তাদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে না বলে জানান সাধারণ ভুক্তভোগী কৃষক। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারের কোনো সংকট নেই। তারপরেও এভাবে বাড়তি দামে সার বিক্রি করে যাচ্ছে এক মালিকের দুইটি লাইসেন্স মের্সাস মুজাহিদ ট্রেডার্স ও নাজ ট্রেডার্সের মালিক নিজেয়। 

কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যানুসারে, বকশিগঞ্জ উপজেলায় বিসিআইসির ১৭ টি ডিলার রয়েছে ও বিএডিসি ৬ টি ডিলার রয়েছে। এ ছাড়া খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছে অনেক জন। সরকারি নির্দেশনা রয়েছে, কৃষকের কাছে ২৭ টাকা কেজি  দরে ১৩৫০ টাকায় ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া ও বিএডিসি ২১ টাকা কেজি ১০৫০ টাকায় এক বস্তা সার বিক্রি করতে হবে। খুচরা বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে ১৩৩০ টাকা বস্তা দরে ইউরিয়া সার কিনতে পারবেন। কিন্তু সরকারি এসব নিয়মের ধার ধারছেন না. মেসার্স মুজাহিদ  ট্রেডার্স ও নাজ ট্রেডার্সের মালিক রোমান মিয়া।

বকশীগঞ্জের কৃষক রাজু মিয়া এবং সজিব মিয়া ও একাধিক কৃষক জানান, তাদেরকে খুচরা ২৯-৩০ টাকা কেজি দরে সার কিনতে হচ্ছে। আর বস্তায় দিতে মুহচ্ছে কমপক্ষে ১৪০০ টাকা। এ ছাড়া দোকান থেকে কোনো ক্যাশমেমো দেওয়া হয় না।

বকশীগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, ডিলারের কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা বাজারের মের্সাস হুমায়ুন কবির ট্রেডার্সে ইউরিয়া ও বি এডিসি সার বেশিদামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী কৃষকরা।

তার দোকানে গিয়ে দেখা যায় বিসিআইসি ডিলার হুমায়ুন কবির নিজের ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করছে সার। জামালপুর সদর উপজেলার ৯ নং রানাগাছা ইউনিয়নের নান্দিনা বাজারে ইউরিয়া (গুড়াশাল) সারের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়।  বিএডিসি (ডিএপি) সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করার কথা থাকলেও বেশিরভাগ হুমায়ুন কবির ট্রেডার্সে ১৪'শ ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে সাধারণ কৃষকরা বেশিদামে সার ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জানাযায়, ডিলারের কাছ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা এসব ইউরিয়া সার নিয়ে বিক্রি করছে ৩০ টাকা কেজি দরে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা কৃষকের ওপর এভাবে চেপে বসেছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। কেনার সময় কৃষকরা রশিদ চাইলে তাদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে না বলে জানান সাধারণ ভুক্তভোগী কৃষক। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারের কোনো সংকট নেই। তারপরেও এভাবে বাড়তি দামে সার বিক্রি করে যাচ্ছে মের্সাস হুমায়ুন কবির ট্রেডার্সের মালিক নিজেয়।

কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যানুসারে, জামালপুর সদর উপজেলায় বিসিআইসির ২৭ থেকে ৩০ টি ডিলার রয়েছে ও বিএডিসি ১০ থেকে ১৫ টি ডিলার রয়েছে। এ ছাড়া খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছে অনেক জন। সরকারি নির্দেশনা রয়েছে, কৃষকের কাছে ২৭ টাকা কেজি  দরে ১৩৫০ টাকায় ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া ও বিএডিসি ২১ টাকা কেজি ১০৫০ টাকায় এক বস্তা সার বিক্রি করতে হবে। খুচরা বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে ১৩৩০ টাকা বস্তা দরে ইউরিয়া সার কিনতে পারবেন। কিন্তু সরকারি এসব নিয়মের ধার ধারছেন না. মেসার্স হুমায়ুন কবির ট্রেডার্সে মালিক আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির।

পলাশতলার কৃষক রাজু মিয়া, চকবেলতৈল  গ্রামের সজিব মিয়া ও একাধিক কৃষক জানান, তাদেরকে খুচরা ২৯-৩০ টাকা কেজি দরে সার কিনতে হচ্ছে। আর বস্তায় দিতে হচ্ছে কমপক্ষে ১৪০০ টাকা। এ ছাড়া দোকান থেকে কোনো ক্যাশমেমো দেওয়া হয় না।

জামালপুর সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল হক বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Thursday, 4 December 2025

জামালপুরে ইয়াবার বড় সিন্ডিকেটে পর থেকে বেড়িয়ে আসছে মুসলিমাবাদের ইয়াবার রাজত্ব

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

জামালপুরে ইয়াবার বড় সিন্ডিকেটে পর থেকে বেড়িয়ে আসছে মুসলিমাবাদের ইয়াবার রাজত্ব

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সম্প্রতী জামালপুর শহর থেকে সবচেয়ে বড় ইয়াবার চালান উদ্ধার করেছে পুলিশ। আর তারপর থেকেই বেড়িয়ে আসছে এই চালানের মূল হোতাদের নাম। আটক দম্পত্তি ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়- এই চালানের সাথে সরাসরি জড়িত মুসলিমাবাদের মনোয়ারা, সালমা ও কাজল তারা এখনো প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাহিরে।

চলতি বছরের ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার) সকালে শহরের দড়িপাড়া এলাকায় একটি আনন্দ ভ্রমনের বাসে তল্লাশি চালিয়ে ২২ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক দম্পত্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বাজার মূল্য ৬৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছিলো পুলিশ। সেই সময় বিসমিল্লাহ ট্রাভেলস নামে সেই বাসটি জব্দ করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- 

জামালপুর সদর উপজেলার ডিগ্রীরচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মতিন ও তার স্ত্রী শাহিদা বেগম। তবে তারা শহরের মুসলিমাবাদ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করতেন। 

মঙ্গলবার এই দম্পত্তির পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষ হলে আবারো রিমান্ড আবেদন করে জামালপুর থানা পুলিশ। 

তবে এই দুইজনকে গ্রেপ্তার ও ইয়াবার এতো বড় চালান উদ্ধারের পর থেকে বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হয়ে দাড়ায় পুরো শহরজুড়ে। বেড়িয়ে আসতে শুরু করে অনেক তথ্য। 

মঙ্গলবার দুপুরে রিমান্ড ও এমসি পরীক্ষা শেষে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে পুলিশের গাড়িতে উঠার সময় গ্রেপ্তার শাহিদা বেগম স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে দেন একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। 

শাহিদা বেগম জানান- এই ইয়াবার সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত মনোয়ারা, সালমা ও কাজল।   

এরপর কয়েকজন সাংবাদিক তার সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে- তারা শুধু এই চালানটি কক্সবাজার থেকে জামালপুর এনেছেন। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে মুসলিমাবাদ এলাকার আরো অনেকে জড়িত আছেন। এরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে মানুষদের মাঝে ইয়াবা বিক্রি করে থাকেন।

২৪ অক্টোবর ইয়াবা উদ্ধারের পর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই বিষয় নিয়ে পাঁচটি বৈঠক করে মুসলিমাবাদের ৪ গ্রাম সমন্বয় কমিটি এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেন তারা। এই ঘটনায় যেকোনো সময় সংঘাতে জড়াতে পারেন গ্রামবাসী। এমনটাই আশঙ্কা করছেন সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা।

এই বিষয়ে তাদের সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করলে বলেন আমাদের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। যারা অভিযোগ করছে তারাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। আমি একসময় মুসলিমাবাদ এলাকার কমিটিতে ছিলাম। তখন মাদক ব্যবসায়ীদের শাসন করেছি। এখন তারাই আমাদের ক্ষতি করা চেষ্টা করছে। এসব পুরোটা সাজানো। তারা আমাকে ফাসিয়ে মূল হোতাদের বাচানোর চেষ্টা করছে।’

জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন বলেন-‘আমরা রিমান্ডে কিছু তথ্য পেয়েছি। এসব তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আর তদন্তের স্বার্থে এসব তথ্য এখন গনমাধ্যমে প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

সাংবাদিক আরজুসহ ৮ জনের নামে ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার দাবি মানববন্ধন

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

সাংবাদিক আরজুসহ ৮ জনের নামে ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার দাবি মানববন্ধন

জামালপুর প্রতিনিধিঃ

দৈনিক জামালপুর দিনকাল পত্রিকার প্রকাশক মো. আরজু আকন্দসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে 'স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর' জাহিদুল হক সেলিম ও তার সশস্ত্র ক্যাডার রাশেদুল হাসান নওশাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন বক্তারা। সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদা'র সভাপতিত্বে ও দৈনিক জামালপুর দিনকাল পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ উদ্দিন, সদস্য আরিফ আকন্দ, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলে এলাহী মাকাম, দৈনিক জামালপুর দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক সাইদ পারভেজ তুহিন, সদর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির কোষাধ্যক্ষ ইকবাল আকন্দ, বাংলাদেশ কংগ্রেস জেলা শাখার আহবায়ক আবু সায়েম মোহাম্মদ সা'-আদাত, দৈনিক জামালপুর দিনকাল পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মুক্তা প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম-মহাসচিব, জামালপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি, দৈনিক জামালপুর দিনকাল ও সাপ্তাহিক উর্মিবাংলা পত্রিকার প্রকাশক জামালপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জামালপুর সিটি প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, দেওয়ানপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক ও এপেক্সিয়ান আলহাজ্ব মো. আরজু আকন্দ একজন সজ্জন মানুষ। তাঁকেসহ ৮জন সাংবাদিক ও দলিল লেখকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। একটি সড়ক দুর্ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই সাজানো হয়েছে মিথ্যা মামলা।   শহরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে ঘটনাটি। 

বক্তারা ঘটনাটি তদন্ত করে এই মিথ্যা মামলার কারিগর স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর জাহিদুল হক সেলিম ও তাঁর সশস্ত্র ক্যাডার রাশেদুল হাসান নওশাদকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান বক্তারা।

Wednesday, 3 December 2025

ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কারের নামে অর্থ আত্মসাৎ

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM 

ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কারের নামে অর্থ আত্মসাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়ন পরিষদে রাস্তা সংস্কারের নামে কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন হলেও বাস্তবে কাজ না করেই অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা সংস্কারের জন্য প্রায় ১২ লাখ ৬৪ হাজার টাকার বেশি অর্থ এবং ৯.০৩১ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পসমূহের মধ্যে ছিল—

১নং ওয়ার্ডের জোকা উত্তরপাড়া পণ্ডিতের বাড়ি থেকে নিয়ামতের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার (বরাদ্দ ১,১৪,০০০ টাকা)

২নং ওয়ার্ডের রাজাপুর মনকান্দা সোহেলের বাড়ি থেকে মুখলেছ ডাক্তারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার (বরাদ্দ ১,১৪,০০০ টাকা)

৩নং ওয়ার্ডের গোপালপুর ছতুর বাড়ি থেকে রুবেলের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার (বরাদ্দ ১,১৪,০০০ টাকা)

৪নং ওয়ার্ডের হরিপুর টাওয়ার মোড় থেকে সাবান ঘাট ব্রীজ পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার (বরাদ্দ ১,১৪,০০০ টাকা)

৫নং ওয়ার্ডের বড়বিলা মোড় থেকে ক্রীমোহনী হাফেজিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার (বরাদ্দ ১,১৪,০০০ টাকা)

৮নং ওয়ার্ডের হরিণাকান্দা নতুন মসজিদ থেকে ঠাডাকুরী নদী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার (বরাদ্দ ১,১৪,০০০ টাকা)

চড়িমাগুরা জথিষ্টী কেরানার বাড়ি পূজামণ্ডপ থেকে পাকা রাস্তা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার (বরাদ্দ ১,১৪,০০০ টাকা)

এছাড়াও বিশেষ বরাদ্দে আরও কয়েকটি রাস্তা সংস্কারের প্রকল্প অনুমোদন করা হয়।

কিন্তু এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব প্রকল্পের কাজ বাস্তবে করা হয়নি। রাস্তা সংস্কার না করেই বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছেন চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীরা।

এলাকাবাসীর ক্ষোভ

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়কগুলো এখনও পূর্বের মতোই অযত্নে পড়ে আছে। কাজের কোন চিহ্ন নেই। অথচ কাগজপত্রে দেখানো হচ্ছে প্রকল্প শেষ হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দুর্নীতির বিচার দাবি করছে।

এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “রাস্তা সংস্কারের নামে কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ হয়নি। এভাবে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রমে দুর্নীতি চলতে থাকলে গ্রামীণ জনগণ বঞ্চিত হবে।”

Thursday, 27 November 2025

ময়মনসিংহে পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM 

ময়মনসিংহে পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম মহোদয়ের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ ২৭ নভেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ (বৃহস্পতিবার)। তাঁর বিদায়ের মুহূর্তে আবেগে ভাসে পুরো ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। সহকর্মীদের চোখে জল, হৃদয়ে অপার শ্রদ্ধা সব মিলিয়ে আবেগঘন এক পরিবেশে সম্পন্ন হয় বিদায় অনুষ্ঠান।

২১ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ৩৪২ দিনেই তাঁর নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা, সুশাসন, সততা ও মানবিকতা ময়মনসিংহ জেলার সকল স্তরের মানুষের হৃদয়ে অমলিন দাগ রেখে যায়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পুলিশ সদস্য, সবার কাছেই তিনি হয়ে ওঠেন প্রিয় পুলিশ সুপার।

সিলেট জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি হওয়ায় এই বিদায়। অনাড়ম্বর হলেও আন্তরিকতায় ভরা বিদায় সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। বিদায়ের মুহূর্তে সহকর্মীদের ভালোবাসা, সম্মান আর শ্রদ্ধায় তিনি সিক্ত হন।

পুলিশ সুপার মহোদয় বিদায় বেলায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যসহ জেলার সকল মানুষের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সম্মানিত পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম মহোদয়ের প্রতি তাঁর এই বিদায় লগ্নে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর নতুন কর্মস্থল সিলেটে সফলতা, সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়।

Wednesday, 5 November 2025

জামালপুরে অপহরণ মামলায় চারজনকে যাবাজ্জীবন

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM 

জামালপুরে অপহরণ মামলায় চারজনকে যাবাজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুরে অপহরণ মামলায় চারজনকে যাবাজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ এর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় প্রদান করেন। তারা হলেন, জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ভাংগুনী ডাংঙ্গা গ্রামের মুন্না@মোনাফ এর মজনু মিয়া(২৫), রান্ধনীগাছা গ্রামের মরহুম হাতেম আলী খন্দকারের ছেলে হানিফ খন্দকার (৫৯), মো: আবুল কাশেম এর ছেলে মো: মমিন মিয়া(৪০), ভাংগুনী ডাংঙ্গা গ্রামের মো: ইমান আলীর ছেলে জহুরুল ইসলাম (৩৭)।  

রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল -১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর(পিপি)মো:  ফজলুল হক সাংবাদিকদের জানান, ২০২২ সালের ০৯ ফেব্রুয়ারী বিকাল সাড়ে পাচ টায় ভিকটিম স্বামীর বাড়ী থেকে বাবার বাড়ীতে আসার সময় জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর বাজারের পশ্চিম পার্শে থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা  ভিকটিম মোছা: হাবিবা আক্তার চৈতিকে জোর পুর্বক অপহরণ করে নিয়ে গেলে ১১ ফেব্রুয়ারী ভিকটিমের বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।  পরে ২৭ এপ্রিল মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০ এর ৭ ধারায় মমিন মিয়া এবং একই আইনের ৭/৩০ ধারায় হানিফ খন্দকার,মমিন মিয়া, জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। তিনি আরো জানান, আমরা রাষ্ট্র পক্ষ ৪ জন স্বাক্ষী উপস্থাপন  করেছি ।  প্রায় ৪ বছর আইনী লড়াই শেষে মামলায় আসামীরা দোষী প্রমানিত হওয়ায় আদালত ৪জনকেই যাবজ্জীবন এবং ৫০ হাজার করে টাকা জরিমানা করেছে।  জরিমানার টাকা ভিকটিম পাবে। 

Monday, 27 October 2025

জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত শিশুসহ আহত ৪

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM 

জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত শিশুসহ আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই নারীসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। এ সময় এক শিশুসহ গুরুতর আহত হয়েছে ৪ জন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর সদর উপজেলার জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলের সামনে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো- সরিষাবাড়ী উপজেলার সানাকৈর এলাকার হায়দার আলীর ছেলে রাশেদ (৩০), একই উপজেলার উচ্চগ্রাম এলাকার শরিফ আহমেদের স্ত্রী আরিফা আক্তার পলি (২৮), জামালপুর সদর উপজেলার নারায়ণপুর এলাকার মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে চান মিয়া (৬২) ও অজ্ঞাত এক নারী।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, সোমবার দুপুরে জামালপুর থেকে দিগপাইতগামী কাভার্ট ভ্যানের সাথে  ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাশেদ নামে এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে আরিফা আক্তার পলিসহ অপর এক অজ্ঞাত নারীকে মৃত ঘোষণা করে কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চান মিয়া নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়। এ সময় ৪ জনের অবস্থা  চরম অবনতি হলে এক শিশুসহ ৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আহতরা হলো- দুর্ঘটনায় নিহত  আরিফা আক্তার পলির শিশু পুত্র আরশ (৭), জামালপুর সদর উপজেলার কাষ্টসিংগা গ্রামের অটোরিক্সার চালক জাহাঙ্গীর আলম (৪০), দিগপাইত এলাকার সাদিকা আক্তার (২৫) ও নারায়ণপুর এলাকার সন্ধ্যা বেগম (৫০)।

জামালপুর সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, কাভার্ট ভ্যানের সাথে অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।  দুর্ঘটনার পর  স্থানীয়রা দিগপাইত এলাকায় ঘাতক কাভার্ট ভ্যানটিকে আটক করে, কিন্তু চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, ঘাতক কাভার্ট ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যাবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Wednesday, 15 October 2025

জামালপুরে ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা

শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM 
জামালপুরে ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা

জয় হোসাইনঃ

জামালপুরে ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে জামালপুর শহরস্থ একটি হোটেলে “হেযবুত তওহীদ” জামালপুর জেলা শাখার আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক  রিয়াদুল হাসান। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন জামালপুর জেলা হেযবুত তওহীদের সভাপতি আনোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও গবেষণা কার্যনির্বাহী সদস্য আদিবা ইসলাম, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি এনামুল হক বাপ্পা, বিভাগীয় নারী সম্পাদক রোজিনা আক্তার, জামালপুর সদর উপজেলা সভাপতি সুলতান মাহমুদ মেহেদী  সহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিময় সমাজ গঠনে তওহীদের মূলনীতি অনুসরণ অত্যন্ত জরুরি। গণমাধ্যম কর্মীরা সত্য, ন্যায্যতা ও নৈতিকতার বার্তা প্রচারের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

সভায় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হেযবুত তওহীদ শেরপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক সুমন মিয়া।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কার কমিশনের কার্যালয়ে “তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার” ওপর একটি লিখিত প্রস্তাবনা দাখিল করে হেযবুত তওহীদ।এরপর থেকেই সংগঠনটি সারাদেশে সভা, সমাবেশ ও সেমিনারের মাধ্যমে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ রূপ জাতির সামনে তুলে ধরছে।।