Tuesday, 18 August 2026

মাদারগঞ্জের ফুলজুর তারা বেপারীর বিরোদ্ধে অতিরিক্ত মুল্যের সার বিক্রির অভিযোগ

 শুধু দেশ ও জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ে তারা ব্যাপারী নামে এক জনৈক্য ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ইউরিয়া ও বি এডিসি সার বেশিদামে বিক্রির অভিযোগ করছেন এলাকার ভুক্তভোগী কৃষকগন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় জনৈক্য তারা ব্যাপারী তিনি কোন সরকার অনুমোদিত বিএডিসি কিংবা বিসিআইসি ডিলার না হয়েও তিনি নারায়ণগঞ্জ অথবা ঘোড়াশাল হইতে ট্রাক ভর্তি ইউরিয়া সারসহ বিভিন্ন পদের সার নিয়ে আসছেন। ঐসব সার তিনি বেশির ভাগ বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলাসহ এলাকার কৃষকদের কাছে ইচ্ছামত বেশি দামে  বিক্রি করে যাচ্ছেন যেন দেখার কেউ নেই।

১৭ আগস্ট সরে জমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় তারা বেপারীর দোকানে ইউরিয়া (গুড়াশাল) সার প্রতি বস্তা ১৩শ ৫০ টাকার স্থলে বিক্রি করছেন ১ হাজার ৫০০ টাকায়। বিএডিসি (ডিএপি) সার ১ হাজার ৫০ টাকার স্থলে বিক্রি করছেন  ১৪'শ ৫০ টাকায় এবং টিএসপি ১৩৫০ টাকার স্থলে বিক্রি করছেন ১ হাজার ৮০০ টাকায়। এতে করে সাধারণ কৃষকরা বেশিদামে সার ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

অপরদিকে তারা বেপারীর কাছ থেকে অন্যান্য খুচরা ব্যবসায়ী বেশী দামে ইউরিয়া সার ক্রয় করে তারা ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে আসছেন। এসব সার কেনার সময় কৃষকরা তারা ব্যাপারীর দোকানের রশিদ চাইলে তাদের কাছে সার বিক্রি করছেন না বলে জানান সাধারণ ভুক্তভোগী কৃষক। এভাবে বাড়তি দামে সার বিক্রি করে যাচ্ছেন ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ের খুচরা ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী।

ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ,সরকারি ভাবে স্থানীয় প্রশাসনের সঠিক তদারকি না করার কারণে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা কৃষকের ওপর এভাবে যেন মরার উপর খাড়াঘা চেপে বসেছেন বলে মনে করছেন এলাকার কৃষক। ফুলজুর গ্রামের কৃষক রাজু মিয়া এবং সজিব মিয়া ও একাধিক কৃষক জানান, তাদেরকে  দরে সার কিনতে হচ্ছে। আর বস্তায় দিতে মুহচ্ছে কমপক্ষে ১৫০০ টাকা। এ ছাড়া দোকান থেকে কোনো ক্যাশমেমো দেওয়া হয় না।

এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি অফিস সুত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারের কোনো সংকট নেই। কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যানুযায়ী,মাদারগঞ্জ  উপজেলায় বিসিআইসির সার  ডিলার রয়েছে ২০ জন এবং বিএডিসি ও অন্যান্য খুচর ডিলার রয়েছেন ৭ জন। সরকারি অনুমোদিত পর্যাপ্ত পরিমাণ আর ডিলার থাকা সত্ত্বেও কিভাবে একজন ব্যবসায়ী তাকে সার নিয়ে আসছেন এ নিয়েই এলাকা ডিলারদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। 

কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায় সরকারি ভত্তুকি মুল্যে কৃষকের কাছে ইউরিয়া সার প্রতি কেজি ২৭ টাকা দরে ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ১৩শ ৫০ টাকা, বিএডিসি এমওপি ২১ টাকা কেজি দরে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা এবং টিএসপি ১৩শ ৫০ টাকা খুচরা মুল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করার সরকারি নির্দ্দেশনা রয়েছে। এছাড়া খুচরা ব্যবসায়ীরা ডিলারদের কাছ থেকে আরো কম দামে ক্রয় করে সরকারি নির্ধারিত মুল্যে বিক্রয় করা কথা রয়েছে। কিন্তু সরকারি ভতুর্কি মুল্যে এসব নিয়মের তোয়াক্কা না করে ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ের  অসাধু ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন অপকর্ম করে আঙ্গুল ফলে কলা গাছ বনে যাচ্ছেন, যেন দেখা কেউ নেই।

তারা বেপারী কোন সরকারি অনুমোদিত সার ডিলার না হয়েও কি’ভাবে ট্রাকে-ট্রাকে সার নিয়ে আসছেন এ ব্যাপারে তারা বেপারী সার বিক্রেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি এর কোন সদোত্তর দিতে পারেননি। তরে বেশী দামে সার বিক্রি করছেন কেন? এমন প্রশ্নের জবারে তিনি বলেন আমি কিশোরগঞ্জ হাওয়র অঞ্চলের ডিলারদের কাছ থেকে বেশী দামে কিনে ট্রাক ভাড়া দিয়ে এনেছি তাই আমি বেশী দামে সার বিক্রি করছি। 

এ সংক্রান্ত বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

Monday, 17 August 2026

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, খুচরা ব্যবসায়ীর কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

শুধু দেশ ও জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM
বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, খুচরা ব্যবসায়ীর কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ে ইউরিয়া ও বি এডিসি সার বেশিদামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী কৃষকরা।

তার দোকানে গিয়ে দেখা যায় খুচরা ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী নিজের ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করছে সার। তার দোকানে ইউরিয়া (গুড়াশাল) সারের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকায়।  বিএডিসি (ডিএপি) সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করার কথা থাকলেও তারা ব্যাপারী দোকানে ১৪'শ ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে, টি এসপি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকায় এতে করে সাধারণ কৃষকরা বেশিদামে সার ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জানাযায়, তারা ব্যাপারীর কাছ থেকে আরেক খুচরা ব্যবসায়ী এসব ইউরিয়া সার নিয়ে বিক্রি করছে ৩৫ টাকা কেজি দরে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা কৃষকের ওপর এভাবে চেপে বসেছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। কেনার সময় কৃষকরা তারা ব্যাপারীর দোকানের রশিদ চাইলে তাদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে না বলে জানান সাধারণ ভুক্তভোগী কৃষক। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারের কোনো সংকট নেই। তারপরেও এভাবে বাড়তি দামে সার বিক্রি করে যাচ্ছে ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ের খুচরা ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী।

কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যানুসারে,মাদারগঞ্জ  উপজেলায় বিসিআইসির অনেটি ডিলার রয়েছে ও বিএডিসি ও অনেক টি ডিলার রয়েছে। এ ছাড়া খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছে অনেক জন। সরকারি নির্দেশনা রয়েছে, কৃষকের কাছে ২৭ টাকা কেজি  দরে ১৩৫০ টাকায় ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া ও বিএডিসি ২১ টাকা কেজি ১০৫০ টাকায় এক বস্তা সার বিক্রি করতে হবে। খুচরা বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে ১৩৩০ টাকা বস্তা দরে ইউরিয়া সার কিনতে পারবেন। কিন্তু সরকারি এসব নিয়মের ধার ধারছেন না ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ের খুচরা ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী।

ফুলজুর গ্রামের কৃষক রাজু মিয়া এবং সজিব মিয়া ও একাধিক কৃষক জানান, তাদেরকে খুচরা ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে সার কিনতে হচ্ছে। আর বস্তায় দিতে মুহচ্ছে কমপক্ষে ১৫০০ টাকা। এ ছাড়া দোকান থেকে কোনো ক্যাশমেমো দেওয়া হয় না।

মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Wednesday, 5 August 2026

মেলান্দহে ৭ লাখ টাকা নিয়ে বিদেশে লোকপাঠানোর নামে প্রতারণা

 শুধু দেশ ও জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

মেলান্দহে ৭ লাখ টাকা নিয়ে বিদেশে লোকপাঠানোর নামে প্রতারণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়ার দহেরপাড় এলাকার বাসিন্দা খোকা চৌকিদারের ছেলে খোরশেদ আলম একই এলাকার বাসিন্দা জাফর আকন্দের ছোট ছেলে ছাইদুল ইসলাম কে সৌদি আরব চাকুরী দেয়ার নামে ৭ লক্ষ টাকা নিয়ে পাঠিয়ে নির্জ্জনস্থানে আটক রেখে শাররীক নির্জ্জাতন করে আরো অতিরিক্ত ৩ লাখ টাকা দাবী করে আসছেন প্রতারক খোরশেদ আলম। অতিরিক্ত ৩ লাখ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ছাইদুল ইসলামের কোন খোঁজ খবর পাচ্ছে না তার পরিবার।

এ সংকান্ত বিষয়ে জাফর আকন্দের বড় ছেলে  আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে জামালপুর জেলা জজ আদালতে উপস্থিত হয়ে দন্ডবিধি ৪০৬/৪২০/১০৯ ধারা আনায়ন করে গত ০৬/০৭/২০২৬ইং তারিখে ৪৪৯(১)/২০২৬ নং একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা সুত্রে জানাগেছে,মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের দহেরপাড় এলাকার বাসিন্দা খোকা চৌকিদারের ছেলে খোরশেদ আলম(৪২) একই এলাকার বাসিন্দা মৃত আবু বক্করের ছেলে নজরুল ইসলাম,তার স্ত্রী লায়লা বেগম ও তার মা নাজমা বেগম গংরা মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়ার দহেরপাড় এলাকার বাসিন্দা জাফর আকন্দের ছোট ছেলে মো.ছাইদুল ইসলামকে সৌদি আরব পাঠিয়ে চাকুরী দেয়ার কথা বলে বড় ছেলে আমিনুল ইসলামের কাছ থেকে গত ২০/১০/২০২৫ ইং তারিখে জমি ও গরু বিক্রির ৭ লক্ষ টাকা নিয়ে ৩ মাসের মধ্যে সৌদি আরব পাঠানোর নিশ্চয়তা দেন। পরবর্তি ১২/০১/২০২৬ ইং তারিখে যথারীতি মো.ছাইদুল ইসলামকে সৌদি আরব পাঠিয়ে দিলে সেখানে বিমানবন্দর থেকে তাকে রিসিভ করে নিয়ে একটি নির্জ্জন স্থানে আটক রেখে শাররীক নির্জ্জাতন চালিয়ে পরিবারের কাছে ফোনে আরো অতিরিক্ত টাকা দাবী করা হয়।

জাফর আকন্দসহ তার বড় ছেলে আমিনুল টাকা প্রদানর সময় উপস্থিত স্বাক্ষীদের নিয়ে খোকা চৌকিদারের ছেলে খোরশেদ আলম কাছে গেলে খোরশেদ আলম গংরা আরো অতিরিক্ত ৩ লাখ টাকা দাবী করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় প্রাণনাসের হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

পরবর্তি টাকা ফেরত এমনকি মো.ছাইদুল ইসলামের কোন খোঁজখবর না পেয়ে তা মা-বাবা শর্যাশায়ী মৃত্যুর প্রখর গুনছেন। তাই বাধ্য হয়ে জাফর আকন্দের বড় ছেলে আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে জামালপুর জেলা জজ আদালতে উপস্থিত হয়ে দন্ডবিধি ৪০৬/৪২০/১০৯ ধারা আনায়ন করে গত ০৬/০৭/২০২৬ ইং তারিখে ৪৪৯(১)/২০২৬ নং একটি মামলা দায়ের করেছেন।

Monday, 3 August 2026

জামালপুর শহরের রাইয়ান হোটেলে সন্দেহজনক অবস্থান নিয়ে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ১০-১২জন গণমাধ্যমকর্মী।

 শুধু দেশ ও জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM

জামালপুর শহরের রাইয়ান হোটেলে সন্দেহজনক অবস্থান নিয়ে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ১০-১২জন গণমাধ্যমকর্মী।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গণমাধ্যমকর্মীদের দাবি, তারা রাত থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, একাধিক নারী নয়, ঢাকাগামী একজন নারী অতিথি হোটেলে অবস্থান করছেন।

বিষয়টি জামালপুর সদর থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে বলে গণমাধ্যমকর্মীরা দাবি করেন। তাদের ভাষ্য, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও রাতভর ঘটনাস্থলে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি তারা দেখতে পাননি।

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রত্যাশা, এ ধরনের অভিযোগ বা সন্দেহের বিষয়ে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। যদি কোনো অনিয়ম বা অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে, তবে আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে; আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরা উচিত।