Monday, 17 August 2026

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, খুচরা ব্যবসায়ীর কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

শুধু দেশ ও জনগণের পক্ষে  JNEWS24TV.COM
বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সার, খুচরা ব্যবসায়ীর কারসাজিতে ভুকছে সাধারণ কৃষক!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ে ইউরিয়া ও বি এডিসি সার বেশিদামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী কৃষকরা।

তার দোকানে গিয়ে দেখা যায় খুচরা ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী নিজের ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করছে সার। তার দোকানে ইউরিয়া (গুড়াশাল) সারের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকায়।  বিএডিসি (ডিএপি) সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করার কথা থাকলেও তারা ব্যাপারী দোকানে ১৪'শ ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে, টি এসপি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকায় এতে করে সাধারণ কৃষকরা বেশিদামে সার ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জানাযায়, তারা ব্যাপারীর কাছ থেকে আরেক খুচরা ব্যবসায়ী এসব ইউরিয়া সার নিয়ে বিক্রি করছে ৩৫ টাকা কেজি দরে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা কৃষকের ওপর এভাবে চেপে বসেছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। কেনার সময় কৃষকরা তারা ব্যাপারীর দোকানের রশিদ চাইলে তাদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে না বলে জানান সাধারণ ভুক্তভোগী কৃষক। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারের কোনো সংকট নেই। তারপরেও এভাবে বাড়তি দামে সার বিক্রি করে যাচ্ছে ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ের খুচরা ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী।

কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যানুসারে,মাদারগঞ্জ  উপজেলায় বিসিআইসির অনেটি ডিলার রয়েছে ও বিএডিসি ও অনেক টি ডিলার রয়েছে। এ ছাড়া খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছে অনেক জন। সরকারি নির্দেশনা রয়েছে, কৃষকের কাছে ২৭ টাকা কেজি  দরে ১৩৫০ টাকায় ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া ও বিএডিসি ২১ টাকা কেজি ১০৫০ টাকায় এক বস্তা সার বিক্রি করতে হবে। খুচরা বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে ১৩৩০ টাকা বস্তা দরে ইউরিয়া সার কিনতে পারবেন। কিন্তু সরকারি এসব নিয়মের ধার ধারছেন না ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ের খুচরা ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী।

ফুলজুর গ্রামের কৃষক রাজু মিয়া এবং সজিব মিয়া ও একাধিক কৃষক জানান, তাদেরকে খুচরা ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে সার কিনতে হচ্ছে। আর বস্তায় দিতে মুহচ্ছে কমপক্ষে ১৫০০ টাকা। এ ছাড়া দোকান থেকে কোনো ক্যাশমেমো দেওয়া হয় না।

মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, সারের কোথাও কোনো সংকট নেই। কেউ যদি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পেলে ডিলার কিংবা খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।