Thursday, 26 September 2024

জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল পঙ্গু করতে মরিয়া মার্জা পরিবার

জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল পঙ্গু করতে মরিয়া মার্জা পরিবার

মিঠু আহমেদ জামালপুর:

জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পঙ্গু করতে উঠে পড়ে লেগেছে জেলার প্রভাবশালী মির্জা পরিবারের সদস্যরা। বিগত সময়ে সরকার দলীয় প্রভাব খাটিয়ে একই পরিবারের একাধিক সদস্য ও তাদের স্বজনরা বিভিন্ন পদে যুক্ত হন প্রতিষ্ঠানটিতে। প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটিও নিয়েছেন তাদের  দখলে। বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ডা. মনিরুজ্জামান খানকে বিগত ২৯-০৮-২০২৪ তারিখে কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে মির্জা শাহেদ অজ্ঞাতনাম কয়েকজন কে সঙ্গে নিয়ে অবরুদ্ধ এবং  জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর চেষ্টা করে। এসময় পাশ্ববর্তী লোকজন অধ্যক্ষকে আটকের খবর শুনে সাহায্যের জন্য আসে। ঐদিন পদত্যাগ করাতে  না পেরে, অপসারণ করতে নানা রকম মিথ্যা অভিযোগ তুলছে মির্জা পরিবার। শুধু তাই নয়, একসময়ে অধ্যক্ষকে বাহবা দেওয়া কতিপয় শিক্ষকরা অর্থ ও পদোন্নতির লোভে যুক্ত হচ্ছে নতুন ষড়যন্ত্রে। 

প্রায় ২ একর জায়গা নিয়ে জামালপুর পৌর শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়ায় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল। পরে ১৯৯৮ সালে  সরকারি ভাবে স্বীকৃতি পায় প্রতিষ্ঠানটি। এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যক্ষসহ মোট  শিক্ষক ১৭ জন, মেডিকেল অফিসার ১ জন, কম্পিউটার অপারেটর ১ জন হিসাব রক্ষক ১ জন ও ৪ জন এল এম এস এস তাদের দয়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও খন্ডকালিন শিক্ষক হিসেবে ৪ জন এবং প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ৩৮০ জন। 

জানা যায়, ২০১৫ সালে অবহেলিত এই জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. মাসুদুর রহমানের মৃত্যুর পর সেই পদে দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানায় প্রতিষ্ঠানের সকল সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ। সে সময় সকলের সম্মতিক্রমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বর্তমান অধ্যক্ষ ডা. মনিরুজ্জামান খান। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে কলেজের সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা ডা. মির্জা ওবায়দুল্লাহ সহ ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্য অধ্যক্ষ পদে ডা.মনিরুজ্জামান খান সহ আবেদনকৃত অন্যান্য প্রার্থিদের সকল আবেদন পত্র যাচাই বাছাই শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ডা. মনিরুজ্জামান খানকে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষের আসনে বসান। এরপর ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ডা. মির্জা ওবায়দুল্লাহ’র মৃত্যুর পর তার পুত্র মির্জা সাহেদ প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি হিসেবে ম্যানেজিং কমিটিতে আসার জন্য আবেদন জানান এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতা মির্জা আজমের হস্তক্ষেপে মির্জা সাহেদ ম্যানেজিং কমিটিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন । 

ঠিক তখন থেকেই কালো মেঘে ঢাকতে শুরু করে জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের সকল কার্মযজ্ঞ। এই প্রতিষ্ঠানটিতে ত্রাসের রাজত্ব বিস্তার করতে শুরু করেন সাহেদ মির্জা। প্রতিষ্ঠানটির সকল শ্রেণির কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপর বাজে আচরণ শুরু করেন তিনি। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানটির সকল সম্পদ নিজের মনে করে নানা রকম অযুহাতে হিসাব শাখা থেকে টাকা তুলতে শুরু করেন এবং প্রতিষ্ঠানের ৩ টি পুকুর জোরপূর্বক নিজ নামে লিজ করিয়ে নেন।   

এখানেই শেষ নয়, অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র। প্রতিষ্ঠানটির অনিয়মিত শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ডা. খলিলুর রহমান, ডা. রাজিয়া সামছুন্নাহার,তাদের সঙ্গে  ডা. আবু তাহের রহুল আমিন, ডা. আতিকুল ইসলাম এবং ডা. জিল্লুর রহমান বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। ডা. খলিলুর রহমান ও ডা. রাজিয়া সামছুন্নাহার অনিয়মিত থাকার কারনে সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. খন্দকার মাসুদুর রহমান দায়িত্বে থাকাকালী কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রাপ্ত হন অভিযুক্ত দুই জন। তারা স্টাম্পে অঙ্গীকার নামা প্রদান করে মির্জা আজমের  সুপারিসে পুনরায়  কলেজে যোগদান করেন। ডা.খলিলুর রহমান ও ডা.জিল্লুর রহমান মেয়াদ উত্তীর্ন কমিটি দিয়ে ডা.আতিকুল ইসলামের সহযোগিতায় পদোন্নতি নিয়েছেন। ডা.জিল্লুর রহমান যিনি জামালপুর জেলার  বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কলেজের ছাত্র /ছাত্রীদের নিয়ে দির্ঘদিন যাবত একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করে আসছেন। কলেজে নতুন ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি হলেই তিনি তাদেরকে উৎসাহিত করে কোচিং সেন্টারে ভর্তি করেন। সপ্তাহে একদিন ক্লাস করিয়ে মাসে ১ হাজার টাকা ফি আদায় করেন। ওই সকল ছাত্র /ছাত্রীদের আর কলেজের ক্লাসে পাওয়া যায়না। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা.খন্দকার মাসুদুর রহমানের সময়ে ডা.আতিকুল ইসলাম ও ডা.জিল্লুর রহমানকে তার সবকাজের সহযোগী হিসেবে দেখা যায় এবং ওই সময়ের অর্থ আত্বসাতের অভিযোগে এই দুইজনের নাম পাওয়া যায়। 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বর্তমান অধ্যক্ষ থাকাকালীন সময়ে ২০২৩ সালে ডা. খলিলুর রহমান ও ডা. রাজিয়া সামছুন্নাহারকে একই অপরাধে আবারো কারন দর্শানো নোটিশ দেয়া হয়। আরেক শিক্ষক ডা. মো. এটি এম রহুল আমিনের অধ্যায়টা একটু ভিন্ন রকম। তিনি ১৯৯৮ সালে জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন কিন্তু তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত হন ২০০০ সালের ২৭ মার্চ। এসময় পুর্ণাঙ্গ চিকিৎসক হওয়ার ২ বছর আগেই  মেডিকেল কলেজে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করায় কলেজ হতে বহিঃস্কার করা হয় তাকে।    

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতিপয় শিক্ষক জানান, জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালে প্রতিষ্ঠাতা ডা. মির্জা ওবায়দুল্লাহ র স্বপ্নকে দিনে দিনে ধ্বংস করছে তারই পরিবারের লোকজন। প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন শিক্ষকের মধ্যে ৪ জন মির্জা পরিবারের। হিসাব রক্ষক ডা. মির্জ্জা আহসান তাদেরই চাচা, এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে তাদেরই স্বজনরা বিভিন্ন পদে চাকুরীরত রয়েছে। কতিপয় শিক্ষক মির্জা পরিবারের যোগসাজসে প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন। যারা কর্মক্ষেত্রে নিয়মিত রয়েছে তারা মির্জা পরিবারের কাছে জিম্মি অবস্থায় শিক্ষকতা করছেন।সরজমিনে কলেজে গিয়ে দেখা যায়, রুটিনে ক্লাস থাকলেও কেও কেও কলেজে অনুপস্থিত। অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে পদত্যাগ করাতে না পেরে  মির্জা শাহেদ শিক্ষকদের ওইদিনই বাসায় ডেকে নিয়ে চাকুরীর ভয় দেখিয়ে সাদা কাগজে জোরপূর্বক সকলের সাক্ষর নেন বলে জানান তারা।

Tuesday, 24 September 2024

প্রয়াত সাংবাদিক বকুলের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া

প্রয়াত সাংবাদিক বকুলের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাফিজ পাঠাগারের প্রতািষ্ঠাতা সভাপতি, বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক ও সাংবাদিক গোলাম হাফিজ বকুল এর ২১ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ  মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার এস এম আবদুল হালিম দুলালের সভাপতিকে অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সম্পাদক হাফিজ লিটনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,সাবেক সভাপতি ফিরোজ খান লোহানী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খাদেমুল বাবুল, সাবেক সভাপতি মোরা দুধ জামান মুরাদ‌। সহ-সভাপতি রহিমা সুলতানা মুকুল, সদস্য ওসমান হারুনী, আবদুস সামাদ,লিয়াকত হোসাইন লায়নসহ আশিকুর রহমান আসিক শফিকুল ইসলাম কাজল সোহেল রানা মিঠু আহমেদ এম কে দোলন বিশ্বাস সহ ক্লাবের সকল সাংবাদিকসহ ইসলামপুর প্রেসক্লাবের বিভিন্ন পত্র পত্রিকার, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রয়াত সাংবাদিক গোলাম হাফেজ বকুলের বড় ছেলে আবির আহমেদ বিপুল  উপস্থিত ছিলেন। 
বক্তারা প্রত্যেকেই প্রয়াত সাংবাদিক গোলাম হাফেজ বকুলের স্মৃতিচারণ করে নানান দিক নিয়ে বক্তব্য রাখেন। পরে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় করে দোয়া করা হয়। এ উপলক্ষে তার নিজ বাড়িতে দোস্থ পরিবারের মাঝে খাবার আয়োজন করা হয়।


Sunday, 22 September 2024

হারানো বিজ্ঞপ্তি

 

হারানো বিজ্ঞপ্তি

আমার এসএসসি পাশ সার্টিফিকেট যার রেজিঃনং ৪১৮৪০৪/২০০৫ রোল নং মেলান্দহ ৪৯১৯৩৪ হারিয়েছে। এছাড়া  এইচ এসসি পাশ সার্টিফিকেট যার রেজিঃ নং ৬২৪৪১৯/২০০৮ রোল নং ৩৭৬৪১০ পাশের সন ২০০৮ইং এবং আমার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধীন অনার্স পাশ সাটিফিকেট যার রেজিঃ নং ১৮০৪১৯৩ সেশন ২০১০-২০১১ রোল নং ৯৭৪১৭৯৮ পাশের সন ২০১৪ইং সন সার্টিফিকেট হারিয়েছে। এই মর্মে মেলান্দহ থানায় জিডি নং ৯০৭,৯০৮ এবং ৯০৯ তারিখঃ-২২-০৯-২০২৪ দায়ের করা হয়েছে।

 
বিনীত নিবেদক
বিউটি আক্তার।

Saturday, 21 September 2024

জামালপুরে জাল দলিলে ভূমি আত্মসাতের পায়তারার অভিযোগ ভূমি কর্মচারীর বিরুদ্ধে

জামালপুরে জাল দলিলে ভূমি আত্মসাতের পায়তারার অভিযোগ ভূমি কর্মচারীর বিরুদ্ধে

                         JNEWS24TV.COM

জামালপুর প্রতিনিধি:

জামালপুরে জাল দলিল তৈরী করে শহরের মেডিকেল রোডে হযরত আলী মার্কেটের একাংশের ভূমি আত্মসাতের পায়তারার অভিযোগ উঠেছে ভূমি অফিসের কর্মচারী শাহানা বেগম ও তার স্বামী রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে।
শনিবার দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এমনি দাবি করে সাংবাদিক সম্মেলন করেন জমির প্রকৃত মালিক জিলহজ আলী নাদু ও তার পরিবার। জিলহজ আলী নাদু হযরত আলী মার্কেটের প্রতিষ্ঠাতা মৃত হযরত আলীর ছেলে। এসময় ভূমি আত্মসাতের পায়তারাকারী শাহানা বেগম ও তার স্বামী রেজাউল করিমের শাস্তির দাবি করেন তারা।
সাংবাদিক সম্মেলনে জিলহজ আলী নাদু তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তিনি জামালপুর শহরের মেডিকেল রোডের হযরত আলী মার্কেটের শক্তি ঔষধালয় দোকান ঘর ও জমির পৈত্রিক সূত্রে দলিল মূলে মালিক। তিনি আজ পর্যন্ত সেই সম্পত্তি ভোগদখলে আছেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত শাহানা বেগম পৌর ভূমি অফিসে চাকুরী করার সুবাদে তার স্বামী রেজাউল করিমকে সাথে নিয়ে হযরত আলী মার্কেটের (শক্তি ঔষধালয় দোকান) সেই জমির ভূয়া দলিল তৈরী করে মালিকানা দাবি করছে এবং শাহানা বেগম তার স্বামীর নামে অবৈধ ভাবে সেই ভূয়া দলিল দিয়ে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হতে নামজারী ও জমা খারিজ করেছে।

জিলহজ আলী নাদু আরও জানান, নালিশী ভূমির ওই অংশ তারা পিতা হযরত আলী বিগত ১৯৬৩ সালে শক্তি ঔষধালয় প্রা: লি: এর কাছে ভাড়া দেয়। যা অদ্যবধি পর্যন্ত চলমান রয়েছে এবং ঐ দোকান ঘরের জমিটি হযরত আলীর সন্তান কিংবা তার ওয়ারিশগণ কেউ বিক্রি করেন নাই।  পরবর্তীতে দোকান ঘরটির পয়েন্ট ৯ শতাংশ জমি তিনি (নাদু) পিতার কাছে থেকে প্রাপ্ত হন এবং তার পিতার মৃত্যুর পর সেই জমিতে তার সাথে দোকান ঘরের চুক্তিপত্র করে শক্তি ঔষধালয় যার ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে।  

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ভূমি অফিসের কর্মচারী শাহানা বেগম কতিপয় ব্যক্তির যোগসাজশে বিগত ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জালিয়াতি করে একটি ভূয়া দলিল প্রস্তুত করেন এবং সেই জমি তারা স্বামীর রেজাউল করিমের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। একই সাথে উক্ত জমির নামজারী ও জমা খারিজ থাকা সত্ত্বেও শাহানা বেগম অবৈধ ভাবে ভূয়া নামজারী ও জমা খারিজ করেন। এসময় ভুক্তভোগী জিলহজ¦ আলী নাদু তার পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানান এবং ভূমি আত্মসাতের পায়তারাকারী শাহানা বেগম ও তার স্বামী রেজাউল করিমের যথাযথ শাস্তির দাবি করেন।  

এ বিষয়ে শাহানা বেগম সাংবাদিকদের জানান, সে সঠিক পন্থায় প্রকৃত জমির মালিকের কাছ থেকে জমির মালিকানা পেয়ে পরবর্তীতে তার স্বামীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। অভিযোগকারী জিলহজ আলী নাদু একাধিকবার এ জমির দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করেও সফল হতে না পেরে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে।

Tuesday, 10 September 2024

জামালপুরে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে সংখ্যালঘুদের জমি দখল কারার অভিযোগ উঠেছে।

 

জামালপুরে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে সংখ্যালঘুদের জমি দখল কারার অভিযোগ উঠেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঘটনা ঘটেছে মেলান্দহ ঘোষের পাড়া পাঠানপাড়া মৌজার হিন্দুদের ওপর মিথ্যা মামলা হামলা ও জমি জোরপূর্ব দখলের চেষ্টায়,

৬০/৭০ বছরের  অসুস্থ মহিলা পুরুষকে জমিতে শুয়ে রেখে জমি দখলের পায়তারা চলছে বলে জানা যায়।  

এতে করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভবনায় আতঙ্কে আছে সংখ্যালঘু শ্রী  ধনরঞ্জন দেবনাথ , দিলীপ দেবনাথ এর পরিবার,ও তার সদস্যরাসহ এলাকাবাসী ।

মেলান্দহ ঘোষের পাড়া পাঠানপাড়া মৌজায় এক একর ৮২ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা পায়তারা করছেন সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্য ,লালচান, আব্দুর রশিদ উদয়, সুজন মিয়া, আজাদ মিয়া, কমলা বেগম, মিজানুর রহমান গং।

জানা যায় উক্ত জমি জোরপূর্বক দখলের  নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে যাচ্ছেন এই বিষয়ে মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী শ্রী ধনরঞ্জন দেবনাথ।

উক্ত ঘটনা মেলান্দহ থানা পুলিশ  এস আই মদন চন্দ্র শীল এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গিয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা পেয়ে মামলা দায়ের এর প্রস্তুতি চলছে এবং আরেকটি সাধারণ ডাইরি  করেছেন ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবার । এমনটাই জানিয়াছেন স্থানীয় প্রশাসন।

জামারপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে বিভিন্ন স্কুলে গাছের চারা বিতরণ

জামারপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে বিভিন্ন স্কুলে গাছের চারা বিতরণ

জামালপুর  প্রতিনিধিঃ

বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের  অধিকার এখানে এখনই প্রকল্পের জামালপুর  জেলা সদরে  দিন ব্যাপী 'গাছের চারা বিতারন ক্যাম্পেইন কর্মসুচী করা হয়েছে।' সংস্থার "অধিকার এখানে, এখনই" প্রকল্প -২ এর সহযোগিতায় মঙ্গলবার দিন ব্যাপী এ কর্মসুচী আয়োজন করা হয়।

চারা বিতারনের এ কর্মসূচী অনুযায়ী পৌরসভার বেলটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,শরিফপুর ইউনিয়নের শরিফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শ্রীরামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  আম, কাঁঠাল ও নিম গাছের চারা বিতরণ করা হয়। 

চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকি।

এসম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক "অধিকার এখানে, এখনই" প্রকল্পের

এরিয়া কো- অডিনেটর  মোঃ জিল্লুর রহমান, জেলা সমন্বয়ক আহম্মেদ ওমর ফারুক, বেলটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আতিকুর রহমান,বেলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহীন আক্তার শিরিন,শরিফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন পারভীন, শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, 

ব্র্যাক অধিকার এখানে এখনই প্রকল্পের জেলা ইয়ুথ মোবিলাইজার মোছাঃ কাকলি আক্তার, অফিসার সেলপ অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন 

প্রমুখ। এখানে সকল ইয়ুথ ভলেন্টিয়াররা ব্র্যাক ভিও সদস্য সহ প্রায় ২০০ সদস্যর মাঝে ৫০০ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। 

এছাড়াও বেলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫টি, শরিফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০০টি,শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০০ টিসহ মোট ৫ শত ২৫টি চারা বিতরণ স্কুলগুলোতে কিছু চারা রোপন  করে দেওয়া হয়।

Wednesday, 28 August 2024

সোনার বাংলার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ ইউএনও'র

 

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে 

সোনার বাংলার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে  শোকজ ইউএনও'র

                     JNEWS24TV.COM

জামালপুর প্রতিনিধিঃ বিপুল মিয়া

জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের পাবই সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসিকে কারন দর্শানোর নোটবশ ( শোকজ) দিয়েছে ইউএনও। প্রধান শিক্ষককের বিভিন্ন অনিয়মে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)জিন্নাত শহীদ পিংকি মঙ্গলবার বিকেলে এ আদেশ দেন।

প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসি তার পদত্যাগের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে  বিক্ষোভ সমাবেশ করে আসছিল শিক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীদের  বিক্ষোভ করার পরিস্থিতি টেরপেয়ে প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসি'র পক্ষ থেকে  সেনা সদস্যদের খবর দেয়া হয়।পরে সেনা সদস্যরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসে উপস্থিত হয়।পরে সেনা সদস্যদের উপস্থিতেই বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।বিক্ষোভ কালে শিক্ষার্থীরা অযোগ্য দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসির পদত্যাগ চান।তিনি পদত্যাগ না করলে  লাগাতার কর্মসুচি করতে থাকেন ছাত্ররা।পরে মঙ্গলবারর বিকেলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ দেন।

এ ব্যাপারে জামালপুর সদর ইউএনও জিন্নাত শহীদ পিংকি  বলেন,ছাত্রদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসি'র স্হলা ভিত্তিতে ওই স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক বুধবার (২৮ আগষ্ট)থেকে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া ওই প্রধান শিক্ষককে আগামী ১০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে  ৩ সদস্যরে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট তার বিরুদ্ধে আসলে ওই শিক্ষককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Monday, 26 August 2024

গণস্বাস্থ্যের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার-প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

গণস্বাস্থ্যের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার-প্রতিবাদে মানববন্ধন

আশুলিয়া(সাভার)প্রতিনিধি

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও এর কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে  মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে আশুলিয়ার মির্জানগর এলাকায় গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীবৃন্দের ব্যানারে এ মানববন্ধনে অংশ নেয় ছাত্র-জনতা সহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মানববন্ধনে অংশগ্রহন করে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আহত মোঃ ওহিদুজ্জামান বলেন,আমি গত ২ তারিখে সাভার আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের গুলিতে আহত হয়। আহত অবস্থায় আমি এখানে ভর্তি হই এবং চিকিৎসা নিই। আমার নিকট থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার বিল নেন নাই, আমি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে চিকিৎসা পেয়েছি।

মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহন কারী মোঃ রনি নামে এক ছাত্র বলেন আমরা একটি খবর পায় অত্র হাসপাতালে নাকি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। এমন খবরের ভিত্তিতে আমরা বেশ কয়েকজন ছাত্র আসি বিষয়টি জানার জন্য। কিন্তু এসে দেখে এখানে অনেক আহতদের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে, আমরা যে খবরটি পেয়েছিলাম তা আসলে ভিত্তিহীন ছিলো।

মানববন্ধনে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মাহাবুব জোবায়ের সোহাগ বলেন,
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে নিয়ে কিছু মানুষ অপপ্রচার করছে যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নাকি কোন সেবা প্রদান করা হয় নাই, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন । এটা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য কলংকে কালিমা একে দেওয়ার মত ।

এসময় তিনি বলেন, এটা হতেই পারে না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই আহতদের সেবায় কর্মরত সকল ডাক্তার নার্স নিয়োজিত ছিল।এমনকি আমাদের এই সেবা চলমান রয়েছে । 
আমরা প্রায় আড়াইশত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্র-ছাত্রী ও জনসাধারণদের  সেবা প্রদান করেছি। আন্দোলনে যেসকল আহত ছাত্র ছাত্রীদের চিকিৎসা করা হয় তার কোন অর্থ নেওয়া হয় নাই। আমাদের সেবায় এবং আমাদের টাকায় চিকিৎসা করা হয়েছে।এই ক্ষেত্রে আমাদের আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকার মত খরচ হয়েছে।এটা আমাদের বলা ঠিক না,তারপরও আমরা অনুমান করে বলছি। অন্য  প্রতিষ্ঠান হলে শূন্য একটি যোগ করে এক কোটি টাকা হিসাব দেখাত।আমরা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে ছিলাম আছি থাকবো । যারা আজকে অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের প্রতি একটাই কথা বলতে চাই।অপপ্রচার সব সময় অপপ্রচার, মিথ্যা সব সময় মিথ্যা, যতদিন প্রমাণিত না হয়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রহমান শাহজাহান বলেন,এখানে আমাদের সমবেত হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে যে আমরা কোটাবিরোধী যে আন্দোলনরত যে সমস্ত রোগী ও ছাত্রছাত্রী সহ যারা এসেছেন যে অবস্থায় এসেছে,তাদের চিকিৎসার ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। এখন একটি কুচুক্রি মহল বলতে চাচ্ছে যে এখানে কোন চিকিৎসা হয় নাই, চিকিৎসায় বাধা প্রদান করেছি, আমরা বলতে চাচ্ছি এখানে রোগী সহ আরো  অনেক উপস্থিত আছেন।তাদের লিস্ট আছে, প্রত্যেক রোগীর ফলোআপ আছে, তারা কি অবস্থায় আছে কয়জন মারা গেছে, কয়জন রেফার করা হয়েছে,সব লিস্ট আছে।

কোটা বিরোধী আন্দলনরত যারা এখানে এসেছেন,সবাইকে সাধ্যমত চিকিৎসা প্রদান করেছি এবং এই চিকিৎসা চলমান রয়েছে। ফ্রি চিকিৎসায় কারো কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেওয়া হয় নাই।

Monday, 12 August 2024

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ফজলুল করিম পরিবারের শোকের মাতম চলছে।

 শুধু দেশ  জনগণের পক্ষে 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ফজলুল করিম পরিবারের শোকের মাতম চলছে।

JNEWS24TV.COM

জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামিল আহমেদ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়ে পুলিশের গুলিতে  নিহত হন ফজলুল করিম (২৫) গত সোমবার (৫আগস্ট)  ঢাকা উত্তরা জসিম উদ্দিন রোডে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দেন ফজলুল করিম। বিকাল ৪ টার দিকে ঢাকা উত্তরা জসিম উদ্দিন রোড থেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা গণভবনের দিকে রওনা হলে, বৈষম্য বিরোধী   আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে।

এক পর্যায়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়, পরে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি বর্ষণ করেন। পুলিশের গুলিতে অনেক ছাত্র-জনতা গুরুতর আহত হয়। এসময় ফজলুল করিমের বুকে গুলি লাগে মারাত্মকভাবে আহত হয়। পরে তাকে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী  সরকারি হাসপাতালে  ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিনই বিকেলে কুয়েত বাংলাদেশ  মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন । নিহত  ফজলুল করিম জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের টাংগারী পাড়া  গ্রামের শাহা আলমের ছেলে।

ফজলুল করিমের  মৃত্যুর খবর বকশীগঞ্জের বগারচর ইউনিয়নের টাংগারী পাড়া গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে , তার নিজ বাড়ি ও এলাকায় শোকের মাতম শুরু হয়। ফজলুল করিমের স্ত্রী মোছাঃ লতা বেগম   জানান গত (৫) (আগস্ট সোমবার )সকালে বাসা থেকে বের হয়ে ঢাকা উত্তরা জসিম উদ্দিন রোড এলাকায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় আমার স্বামী ফজলুল করিম। গুলি তার পেটের এক পাশ দিয়ে সিদ্র হয়ে আরেক পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়।  আমি আমার স্বামীর বিচার চাই । স্বামীকে হারিয়ে দুই বছরের এক ছেলে সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে  পড়েছেন হত দরিদ্র পরিবার টি ।একমাত্র উপার্জনের মানুষটি হারিয়ে পরিবারের শোকের মাতাল চলছে। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ফজলুল করিম টঙ্গী বোর্ডবাজার এলাকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করেন।

নারায়ণগঞ্জের সব থানার কার্যক্রম শুরু

  বিস্তারিতঃ JNEWS24TV.COM

নারায়ণগঞ্জের সব থানার কার্যক্রম শুরু

        JNEWS24TV.COM

স্টাফ রিপোর্টার :আলেয়া আক্তার লিজা

নারায়ণগঞ্জের ৭টি থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে সব ফাঁড়ির কার্যক্রমও আজকালের মধ্যে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

রোববার (১১ আগস্ট) বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে শুক্রবার ও শনিবার জেলার ৭টি থানা সচল করা হয় সেনাবাহিনীর পাহারায়।

এরই মধ্যে জেলার ৭টি থানায় বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং মানুষ নানা অভিযোগ নিয়ে থানায় আসতে শুরু করেছে। থানাগুলোতে পুলিশের পাশাপাশি সেনা সদস্যরাও রয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আমরা শুক্রবার থেকে পুরোদমে সচল আছি। আমাদের এখানে মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে আসছে।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সক্রিয় থাকবে।

নারায়ণগঞ্জ জাকির খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

 বিস্তারিতঃ JNEWS24TV.COM

নারায়ণগঞ্জ জাকির খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

         JNEWS24TV.COM

স্টাফ রিপোর্টার:আলেয়া আক্তার লিজা

জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাকির খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। রবিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে নগরীর ডিআইটি এলাকা থেকে নেতাকর্মী একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পরে আদালত চত্তরে গিয়ে জাকির খান মুক্তির দাবিতে নানা স্লোগান দেয় । স্লোগানে মুখরিত হয়ে আদালতে সামনে রাস্তায়। এবং মিছিলটি শেষ করেন আদালত চত্বর হয়ে ডিআইটি এলাকায়।

মিছিল  শেষে ডিআইটি এলাকার প্রাঙ্গনে এসময় জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি জানায়, জাকির খান কারাগারে রয়েছে। এই সংকটময় সময়ে তাকে নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রয়োজন। তাই এই সরকারের কাছে তার মুক্তির দাবি জানাতে নেতাকর্মী দলে দলে আদালতের সামনে চত্বরে বিক্ষোভ করছে।

প্রসঙ্গত, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে আজ জাকির খানকে আদালতে আনা হয়নি। আগামী ২৫ আগস্ট পরবর্তীদিন ধায্য করেছে আদালত।

২য় বারের মত স্বাধীনতা অর্জনের আত্মত্যাগী শহীদের ছাত্র/ছাত্রী প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও দোয়া মাহফিল

বিস্তারিতঃ JNEWS24TV.COM


২য় বারের মত স্বাধীনতা অর্জনের আত্মত্যাগী শহীদের ছাত্র/ছাত্রী  প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও দোয়া মাহফিল

                JNEWS24TV.COM

স্টাফ রিপোর্টার:আলেয়া আক্তার লিজা

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সকল শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠানের শুরুতেই কোরআন তেলাওয়াত এবং এক মিনিটের নিরাপত্তা পালনের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। 

১১ আগস্ট রবিবার সামাজিক সংগঠন রূপগঞ্জ একটি পরিবারের উদ্যোগে  উপজেলার সাওঘাট এলাকার জাপান-বাংলাদেশ আড়ৎ এ  অনুষ্ঠিত  হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক সংগঠন রূপগঞ্জ ওয়ান ফেমেলীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সেলিম প্রধান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভুলতা ইউনিয়ন সমন্বয় তৈফিকুল আলম শিহাবসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।

সভায় সেলিম প্রধান বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটিয়ে ছাত্রসমাজ ও দেশের সাধারণ মানুষকে শোষণ ও নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করেছে। তিনি আরও বলেন ছাত্র সমাজ আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ , এই ছাত্র সমাজের পাশে দেশ যেমন আছে, সাধারণ জনগণ এবং আমরাও তাদের পাশে আছি। তিনি আরো বলেন আমার কোন রাজনীতি দল নাই। রুপগঞ্জ আমার কাছে একটা পরিবারের মত তাই রূপগঞ্জের স্কুল ,কলেজ , মাদ্রাসায় যাতে দলীয় কোন কিছু না থাকে এই আহ্বান জানান সবাইকে।

এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভুলতা ইউনিয়ন সমন্বয়কারী ছাত্র তৈফিকুল আলম শিহাব  বলেন, এখন থেকে ঘুষ, দূর্নীতি, অনিয়ম ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করে ছাত্র সমাজ  ও জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে দেশটাকে এগিয়ে নিতে যেতে হবে।

পরে রূপগঞ্জে ওয়ান ফেমেলীর  উদ্যোগে  শহীদদের স্মরণে  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ আবু সাইদসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায়  মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে সকলের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

Friday, 2 August 2024

বিয়ের খবর পেয়ে বাড়িতে হাজির প্রেমিকা,বরযাত্রা ছেড়ে পালালো পুলিশ প্রেমিক

বিয়ের খবর পেয়ে বাড়িতে হাজির প্রেমিকা,বরযাত্রা ছেড়ে পালালো পুলিশ প্রেমিক

বিস্তারিত পড়ুন,JNEWS24TV.com

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর জেলা মেলান্দহ উপজেলায় পুলিশ প্রেমিকের বিয়ের আয়োজন সহ -সব কিছুই ঠিকঠাক,যাবে বরযাত্রা এ সময় প্রেমিকের বাড়িতে হাজির হয়েছে প্রেমিকা। এ সময় পুলিশ-প্রেমিক দৌড়ে বাড়ির পিছন দিয়ে পালিয়ে যান। কয়েক মিনিটের মধ্যেই লন্ডভন্ড হয়ে যায় সবকিছু।বৃহস্পতিব ১০ টার দিকে ঝাউগড়া ইউনিয়নের মানকি নয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সদস্য প্রেমিক ওই এলাকার আমির হামজার ছেলে রাসেল মাহমুদ। তিনি বর্তমানে নেত্রকোনা জেলার পুলিশ লাইন্স এ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে‌। প্রেমিকা সুইটি আক্তারের বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া এলাকায়।

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান করার খবর শুনে বিয়ে বাড়িতে গেলে দেখা যায়- প্রেমিকের বাড়ির সামনে রাস্তায় পুলিশ সদস্য প্রেমিক রাসেল ও প্রেমিকা সুইটি আক্তারের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলছে। প্রেমিক রাসেল যেদিকে যেতে চাচ্ছেন প্রেমিকাও সেদিকে যাচ্ছেন এবং বাধা দিচ্ছেন যেতে।

এবং প্রেমিকা বারবার বলছেন আমাকে বিয়ে না করলে আমি এখানেই আত্মহত্যা করব। একপর্যায়ে প্রেমিক-প্রেমিকা দুজনে প্রেমিকের বাড়ির ভিতরে ঢুকান। এসময় প্রেমিক কৌশলে বাড়ির পিছন দিয়ে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ সদস্যের পরিবারের লোকজন প্রেমিকা সুইটি আক্তার কে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেবার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে বাড়ি থেকে বের করে দিতে ব্যর্থ হন।

খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়,কয়েকদিন আগে গোপনে পুলিশ সদস্য রাসেল মাহমুদের বিয়ে ঠিক হয় মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার একটি মেয়ের সাথে। বিয়েতে ৮ লাখ টাকা যৌতুক ও ঠিকঠাক হয়। এরমধ্যে যৌতুকের কয়েক লাখ টাকা ছেলের বাবা আমির হামজার কাছে দিয়ে যায় মেয়ের বাবা।

গতকাল বুধবার রাসেলের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হয়। আজ বৃহস্পতিবার বরযাত্রা নিয়ে যাওয়ার কথা। এর মধ্যেই প্রেমিকের বাড়িতে হাজির হন প্রেমিকা সুইটি আক্তার। এতেই বিয়ের সকল আয়োজন মুহূর্তেই বন্ধ হয়ে যায়।

প্রেমিকা সুইটি আক্তার বলেন,প্রায় দেড় বছর ধরে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্পর্ক চলাকালীন জামালপুর শহরে বেশ কয়েকবার দেখা হয়েছে। আমাদের বাড়িতে গিয়েছিল। আমার পরিবারের সবার সাথে কথা বলে পরিচিত হয়ে আসেন। আমিও তাদের পরিবারের সবার সাথেই মুঠোফোনে অনেকবার কথা বলেছি। বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে রাসেল অনেক বার আমার সাথে দেখা করে। ওর সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক পর্যন্ত হয়েছে। রাসেল কাল রাতে আমাকে ফোন দিয়ে বলে আমার বিয়ে ঠিক হইছে তুমি আমার বাড়িতে আসো। আর আজ আমি তার বাড়িতে আসলে সে পালিয়ে যায়। এখন আমাকে বিয়ে না করলে আমি এই বাড়িতেই আত্মহত্যা করব।

এ বিষয়ে ছেলের বাবা আমির হামজা বলেন,জোর করেই আমাদের বাড়িতে উঠেছে এই মেয়ে। তার সাথে আমার ছেলের কোন প্রেমের সম্পর্ক নাই।

এবিষয়ে মেলান্দহ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মদন সিং বলেন,আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। মেয়ে এবং ছেলের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। ছেলের পরিবার অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মেয়েকে আইনি সহায়তার জন্য থানায় যেতে বলা হয়েছে।